অর্হণা উপন্যাসের লেখক ড. মোহাম্মদ আমীন। এটি স্যমন্তক সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস। প্রথম উপন্যাসের
নাম স্যমন্তক। স্যমন্তক উপন্যাস প্রকাশের পর এটি যারা পড়েছেন তারাই অভিভূত হয়েছেন।অর্হণা উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি পড়ে অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ বলেছেন, “অর্হণা আমার পড়া শ্রেষ্ঠ পাণ্ডুলিপি। এমন বৈচিত্র্যময় চরিত্রের সমাবেশ আর কোনো উপন্যাসে নেই। এটি একটি বিশ্বময়তার বিবৃত সর্বজনীন উপন্যাস।” হায়াৎ মামুদের মতে, ঘটনা, খ্যাতিমান চরিত্রবর্গ, চরিত্রসমূহের সরব উপস্থিতি, রাজসিক আলোচনায় সর্বজনীন হিত, সাড়ম্বর দৃশ্যপট, দৃশ্যপটের মনোহর নৈসর্গিকতায় শহুরে বিমোহন, দলিতদের প্রতি মমতা, কিছু স্পর্শকাতর সম্পর্ক, হৃদয় আলোড়িত কথোপকথন, বুদ্ধিমত্তার অপূর্ব নিদর্শনপ্রসূত দার্শনিক উপলব্ধি, মনোবৃত্তিক উদারতায় হৃদয়ভিত্তিক জটিলতার স্বরূপ, প্রেম ভালোবাসার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিউরে তোলা পরিঘটনার পথ ধরে এগিয়ে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ প্রভৃতি আমাকে প্রবলভাবে মুগ্ধ করেছে।হায়াৎ মামুদ লিখছেন, “অর্হণা যিনিই পড়ুন, মুগ্ধ হবেন, অভিভূত হবেন সোল্লাস প্রাপ্তির মাদকীয় ভাবনায়।আমি কামনা করি বা না-ই করি, উপন্যাসটি যোগ্যতাবলে পাঠকের হৃদয়ে নিজের আসনটি গেড়ে নিতে সক্ষম হবে। আমি মনে করি, কালক্রমে ড. মোহাম্মদ আমীনের অর্হণা’ বাংলা সাহিত্যের অর্হণা হয়ে সবার মনে সাড়া দিতে সক্ষম হবে।”
অন্নদাশঙ্কর রায়, আহমদ ছফা, ড. মফিজ আলী চৌধুরী, আহমদ শরীফ, ডাক্তার নুরুল ইসলাম, কবীর চৌধুরী, শামসুর রাহমান, সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, আলাউদ্দিন আল আজাদ, সৈয়দ শামসুল হক, আবদুল
গাফফার চৌধুরী, সরদার ফজলুল করিম, মযহারুল ইসলাম, আবদুল মাননান সৈয়দ, নরেন বিশ্বাস, আল মাহমুদ, হুমায়ুন আজাদ, আবদুল কাইউম, আসকার ইবনে সাইখ, শফিউদ্দীন আহমেদ, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, প্রফেসর গ্রিয়েল, প্রফের ব্রুম, প্রফেসর মিন্ড্রা, শ্রাবন্তীনাহা,
শাহিদা সুলতানা, অরুণাভ সরকার, আবদুল আলিম, নাজিম উদ্দিন মোস্তান, ওসমান গনি, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, হায়াৎ মামুদ, বুদ্ধদেব বসু, সৈয়দ আলী আহসান, কে এম শিহাব উদ্দিন, আখতারুজ্জামান বাবু, প্রফেসর কোবাইসি মাসাহিতো, অধ্যাপক টিআই চোধুরী, ভাষাবিষারদ প্রফেসর রচনাসহ আরও অনেক কালজয়ী কবি-সাহিত্যিক এই উপন্যাসের চরিত্র।বইটির।প্রকাশক পুথিনিলয়, বাংলাবাজার, ঢাকা।
পাওয়া যাবে অমর একুশে গ্রন্থমেলায়
২০০-২০২ নম্বর স্টলে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন